|
কাশিয়ানীতে সার্ভেয়ারের ঘুষ বানিজ্যে ও মিথ্যা প্রতিবেদনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
মোঃ আশরাফুজ্জামান
|
|
মোঃ আশরাফুজ্জামান, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃগোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে চাহিদা মত ঘুষের টাকা না দেওয়ায় নুরানী মক্তবের জমিকে ব্যাক্তিগত জমি হিসেবে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করায় কাশিয়ানী উপজেলা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে।
গতকাল( ৩০ জানুয়ারী) শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বাগিয়া গ্রামে সার্ভেয়ার ইব্রাহিম খলিলের বেপয়ারা ঘুষ বানিজ্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে স্থানীয়রা।
জানা যায় কাশিয়ানী উপজেলার মহেশ পুর ইউনিয়নের ২২ নং বাগিয়া মৌজার বিআরএস ৫১৯ নং খতিয়ানের ১১৫৯ দাগের ১৬ শতাংশ জমি নিয়ে একই গ্রামের মোঃ ফায়েক শেখ ও ইয়ার আলী শেখের মধ্যে প্রিয়েমশন মামালা চলছিল।এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪ গ্রামের মানুষ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গ্রাম্য সালিসে বাদী ও বিবাদীর সম্মতিতে
উক্ত জমি বাগিয়া মধ্য পাড়া নূরানী মক্তব নামে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়া তুলা হয় এবং ইয়ার আলী শেখ একতরফা আদালতের রায় পান।ফায়েক শেখ প্রিয়েমশনের জমা টাকা ও উকিলের মাধ্যমে তুলে নেন।
অন্য দিকে ফায়েক শেখ তথ্য গোপন করে চাতুরতার সুযোগ নিয়ে দলিল মুলে তার ৪ মেয়ে সীমা,আয়শা,মিতু ও লাকীর নামে হেবামুলে দলিল করে দেন।মক্তব কমিটি মক্তব সংস্কার করতে গেলে লাকী বেগম আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বিঞ্জ আদালত দখল ও জমির মালিকানা প্রমাণ করার জন্য সরজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেন কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমির নিকট।তদন্তের দায়িত্বে থাকা সার্ভেয়ার ইব্রাহিম খলিল সুযোগ পেয়েই মক্তব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে দুহাজার টাকা নেন তেল খরচ বাবদ এবং হ্যান্ডসাম একটি টাকার দাবী করেন তদন্ত পক্ষে নেওয়ার জন্য এবং মক্তব কর্তৃপক্ষের কাছ বলে যান হ্যান্ডসাম মানি দিতে হবে না হলে তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে যাবে না।
মক্তব কর্তৃপক্ষ ও এলাকা বাসী অভিযোগ করে বলেন আমরা সার্ভেয়ার ইব্রাহিম খলিলকে হ্যান্ডসাম মানি দিতে পারিনি বলে বিপক্ষের সাথে হাত মিলিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মক্তবের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করেছেন বলে জানান মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা।
এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ফায়েক শেখ ও কাশিয়ানী উপজেলা সার্ভেয়ার ইব্রাহিম খলিলের ঘুষ বানিজ্য হীন কাজের কঠোর শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।
|
